আমি মোঃ আবুল বাশার।
আমি ১৮৭৬ ইং সালের ২৪শে সেপ্টেম্বর, বগুড়া জেলার বামুনিয়া গ্রামে জন্মগ্রহন করি।
বাবা আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রহিম।
তিনি একাধারে শিক্ষক, ডাক্তার ও ব্যবসায়ী ছিলেন।
আমার জন্মের পর থেকে এখন পর্যন্ত বগুড়ার শাহজাহান পুরের জামালপুর প্রামের নয়মাইল বন্দরের পাশ্বে আমার স্থায়ী বাসভবনে বাস করে আসছি।
ব্যবসা হিসেবে বাবার ব্যবসাকে বেছে নিয়েছি।
শিক্ষা জীবন শুরু হয় বামুনিয়া দারুল উলুম দাখিল মাদরাসায়।
সেখানে ৬ষ্ট শ্রেনি পর্যন্ত পড়াশোনা করি ।
তারপর বগুড়া ক্যান্টমেন্ট বোর্ড হাইস্কুলে ৭ম শ্রেনীতে ভর্তি হই।
সেখান থেকে ১৯৯৮ ইং সালে এসএসসি পরিক্ষা দিই।
পরিক্ষাতে স্টার মাকর্স পেয়ে উত্তির্ণ হই ।
তারপর শুরু হয় কলেজ জীবন আমি সরকারী শাহ সুলতান কলেজে শিক্ষারত অবস্থায় তঃকালীন ছাত্রনেতা রুমন, নাহিন, নাইট, ছালাম, জ্যাক, সুজা পাপ্পু মাহিন সহ অনেকের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠে।
তাদের হাত ধরেই ছাত্রদলের রাজনিতিতে যুক্ত হই।
কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনিত প্যানেল থেকে বিপুল ভোটে এইচ.এস.সি বিজ্ঞান বিভাগের প্রতিনিধি পদে নির্বাচিত হই।
সাথেই কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক এবং জেলা ছাত্রদলের সদস্য মনোনিত হই।
১৯৯৭ সালে গর্বিত রেজাল্ট নিয়ে এইচ.এস.সি পরিক্ষায় উত্তির্ণ হই।
এসময় অভিন্ন প্রশ্নপত্রের দাবীতে গঠিত সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের জেলা কমিটির আহবায়ক মনোনীত হই।
আহবায়ক পদে মনোনীত হবার পর পরই দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলি এবং সফল হই।
কলেজ জীবনটা এভাবেই রাজনিতি ও পড়াশোনার মাঝে কেটে যায় এরপর আরিয়া ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক পদে অধিষ্টিত হই ।
২০০১ সালে হাসিনা সরকার ও তার অরাজকতা পতনে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করি।
হাসিনা সরকার ও তার আরাজকতা পতনের অন্দোলন করার ফলে আমাকে নানা মিথ্য মামলায় জড়িয়ে দেয়া হয়।
এক পর্যয়ে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও বৃহত্তর বগুড়া জেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য হয়ে নানা উন্নয়নের মাঝে দিয়ে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করি।
২০০২ সালে মাঝিরা পরবর্তীতে শাহজাহান পুর উপজেলা গঠিত হলে থানা বিএনপির কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশগ্রহন করে টেলিভিশন প্রতিকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হই।
প্রিয় নেতা তারেক রহমানের সংস্পর্শে আমি এবং ভিপি সাইফুল, হেলালুজ্জামানতালুকদার লালু, এ্যাড. মাহবুব, ফজলুল বারী তালুকদার, রেজাউল করিম বাদশা, জয়নাল আবেদিন চান ও
বেলাল ভাই সহ অনেক উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সহযেগীতায় আমার নির্বচিত এলাকা শাহজাহান পুরের ব্যাপক উন্নয়ন করি।
জনগনের বিস্বস্থতা অর্জন করিদলীয় ও সামাজিক কর্মকান্ডে গতি সঞ্চার করি।
১/১১ সারকার পতনে ইল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রাখায়জেলা আওয়ামীলীগ আফিস ভাংচুরের মিথ্যা মামলায় কারাবরন করি।
২০০৭ সালে শাহজাহান পুর উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহন করি এবং বিপুল ভোটের ব্যবধানে শাহজাহান পুর উপজেলা ”ভাইস চেয়ারম্যান” পদে নির্বাচিত হই এবং উপজেলার উন্নয়নে তৎকালিন সংষদ সদস্য ব্যারিষ্টার মওদুদ সাহেবের সহযোগিতায় ব্যপক ভুমিকা রাখতে সক্ষম হই।
এরপর আঢ়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক, থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক, পরবর্তীতে সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করি।
অতপর ভিপি সাইফুল ইসলামের সহযোগিতায় জেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মনোনিত হই।
এক পর্যয়ে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ও জয়নাল আবেদিন চান স্বাক্ষরিত শাহজাহানপুর উপজেলা বিএনপির সিঃ যুগ্ম আহবায়ক (সচিব) পদি অধিষ্টিত হই।
সরকার বিরোধী আন্দোলনে শতবাধা, অত্যাচার, হুমকী ধামকী উপেক্ষা করে থানা বিএনপির তৎকালিন আহবায়ক প্রয়াত ফজলুল হক রতনের সাথে যৌথ নেতৃত্বে সরকার বিরোধী আন্দোলনে চুরান্ত পর্যায়ে জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করে জনতার সমর্থনে শাহজাহানপুরকে সারা বাংলা দেশ হবে দীর্ঘদিন বিচ্ছিন্ন করে রাখতে সক।সম হই।
উক্ত কারনে আমি বিরোধীদলের রসানলে পরি তারা আমাকে বাড়ী ছাড়া হতে বাধ্য করে, কিন্তু তারা আমাকে রাজপথ থেকে সড়াতে পারে নি, ইনশাহআল্লহ কোন দিন ও পারবে না।
বিগত উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যানপদে নির্বাচনে অংশগ্রহন করি।
জেলা ১৯ দল কতৃক দলীয় প্রার্থী মনোনিত হলেও আরও ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা সত্বেও নির্বাচন থেকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করি।দলীও প্রার্থীর পক্ষে জেলা বিএনপি কর্তক নির্বাচন পরিচাশনা কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব পেয়ে দলীয় প্রার্থীদেরকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়যুক্ত করাই।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বর্ষিয়ান জননেতা ফজলুল হক রতনের অকাল মৃত্যুতে পদটি শূন্য হলে বিগত ০১-০৪-৪০১৫ তারিখে শাহজাহান পুর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক হিসেবে বগুড়া জেলা বিএনপি কতৃক দায়িত্ব প্রাপ্ত হই।
আবারো সরকার বিরোধী ও গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করি তাই বিরোধী দল অনেক মিথ্য মামালর সাথে জড়িয়ে দেয়।
বর্তমানে মামলায় জর্জরিত হয়ে দূবিসহ জীবন জাপন করছি।
তবুও দলীয় কর্মকান্ডে বাংলাদেশের সকল উপজেলার চেয়ে অত্যন্ত বলিষ্ট ভাবে দায়িত্ব পালন ও দল চালিয়ে যাচ্ছি।
এরই মধ্যে আমি বিএমএস পরীক্ষায় উত্তির্ণ হয়ে বর্তমান সরকারী আজিুল হক কলেজে মাষ্টার্স শেষ বষের (প্রাইভেট) ছাত্র।
এছাড়াও বগুড়া আইন কলেজে ভর্তি হয়ে আইনী পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি।
বিগত সামাজিক দায়িত্ব পালন
# সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদন- নয়মাইল ব্যবসায়ী সমিতি ।
# সাবেক প্রধান উপদেষ্টা- (১) বারআন্জুল স্পোটিং ক্লাব ।
(২) মানিকনিপা যুব উন্নয়ন শান্তি সংঘ ।
# সাবেক সদস্য/ সহ-সভাপতি- পরিচালনা কমিটি বামুনিয়া দারুল উলুম দাখিল মাদরাসাহ ।
# সাবেক সেক্রেটারি- বামানিয়া মন্ডলপড়প বায়তুচ্ছালাম জামে মসাজদ ।
বর্তমান সামাজিক দায়িত্ব সূমহ
# প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি- আদর্শবাদী শান্তি নিকেতন ছাত্র সংঘ ।
# সভাপতি-
(১) পরিচালনা কমিটি বামুনিয়া দারূল উলুম দাকিল মাদরাসাহ ।
(২) নয়মাইল হাট জামে মসাজিদ ।
# সাধারন সম্পাদক- নয় মািইল হাট শ্রমিক হোমিও দাতব্যলয়
প্রধান উপদেষ্টা- (১) মানিকদিপা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ ।
(২) নিশ্চিন্তপুর শহীদ জিয়া স্মৃতি সংঘ ।
(৩) সোনাইদিঘি যুব উন্নয়ণ সংঘ ।


0 comments: